পুকুরের ধারে দাঁড়িয়ে জাল ছুড়ছেন একজন মৎস্যচাষি

আমাদের গল্প

প্রকল্প পরিচিতি

মিঠুপল্লী কোনো বড় কোম্পানি নয় — এটি একটি পরিবারের নিজের হাতে গড়া কৃষি উদ্যোগ। একটি পুকুর আর সামান্য জমি দিয়ে শুরু হওয়া এই কাজ আজ মাছ ও সবজির একটি সমন্বিত খামারে রূপ নিয়েছে।

শুরুটা যেভাবে

বাড়ির পাশের অব্যবহৃত একটি পুকুর সংস্কার করে ২০১৮ সালে মাছ চাষ শুরু হয়। প্রথম বছর ভুল হয়েছে অনেক — বেশি পোনা মজুদ, পানির মান না দেখা, সময়মতো খাবার না দেওয়া। সেই ভুলগুলোই পরের বছরের পাঠ হয়ে দাঁড়ায়।

মাছ থেকে সবজিতে

পুকুর শুকিয়ে তলার কাদা তুলে পাড়ে ফেলার পর দেখা গেল সেই মাটিতে সবজি দারুণ হয়। সেখান থেকেই পুকুরপাড়ে মাচা বেঁধে লাউ-কুমড়ার চাষ শুরু। আজ মাছ আর সবজি একে অপরের পরিপূরক।

আজকের মিঠুপল্লী

এখন চারটি পুকুর, দুটি নার্সারি ইউনিট এবং সংলগ্ন জমিতে তিন মৌসুমের সবজি চাষ চলছে। উৎপাদিত মাছ ও সবজি স্থানীয় বাজার ও পাইকারদের কাছে সরাসরি পৌঁছে যায়।

পথচলা

বছরের পর বছর

  1. ২০১৮

    প্রথম পুকুর

    পুরোনো একটি পুকুর সংস্কার করে মিশ্র কার্প চাষ শুরু।

  2. ২০২০

    সবজি খামার যুক্ত

    পুকুরপাড়ে মাচা পদ্ধতিতে লাউ ও শিমের চাষ শুরু।

  3. ২০২২

    নার্সারি ইউনিট

    নিজস্ব পোনা উৎপাদনের জন্য দুটি নার্সারি পুকুর তৈরি।

  4. ২০২৩

    দেশীয় মাছ

    শিং, মাগুর ও পাবদা চাষ পরীক্ষামূলকভাবে শুরু।

  5. ২০২৫

    সমন্বিত খামার

    মাছ ও সবজি খামারের পূর্ণ সমন্বয় — এক খামারের বর্জ্য আরেকটির সম্পদ।

কারা আছেন

প্রকল্পের মানুষজন

প্রকল্প পরিচালক

সার্বিক পরিকল্পনা ও তদারকি

পুকুর ব্যবস্থাপনা, বাজারজাতকরণ ও হিসাব সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত।

খামার তত্ত্বাবধায়ক

দৈনন্দিন পরিচর্যা

খাবার প্রয়োগ, পানি পরীক্ষা ও সবজি খেতের নিয়মিত দেখভাল।

স্থানীয় সহযোগী দল

মৌসুমি কাজ

পোনা মজুদ, জাল টানা, ফসল সংগ্রহ ও বাজারে পাঠানোর কাজে সহায়তা।

খামার দেখতে আসতে চান?

আগে থেকে জানালে পুকুর ও সবজি খেত ঘুরে দেখার ব্যবস্থা করা যায়।

সময় ঠিক করুন