ভোর পাঁচটায় জাল টানা শুরু হয়। কুয়াশার মধ্যেই গ্রামের ছয়জন মিলে পুকুরে নেমে পড়েন। দুই নম্বর পুকুরটি প্রায় দেড় বিঘার, গত ফাল্গুনে এখানে পোনা মজুদ করা হয়েছিল।

কী পরিমাণ মাছ উঠল

  • রুই — ১৮৫ কেজি, গড় ওজন ১.৪ কেজি
  • কমন কার্প — ১৩০ কেজি, সবচেয়ে বড়টি ৩.৮ কেজি
  • কাতলা — ৭০ কেজি, গড় ওজন ২.১ কেজি
  • মৃগেল — ৩৫ কেজি

সবচেয়ে বড় কমন কার্পটির ওজন হয়েছে ৩.৮ কেজি। গত বছরের তুলনায় এবার গড় ওজন প্রায় ২০০ গ্রাম বেশি এসেছে। এর মূল কারণ সম্ভবত নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা করে খাবারের পরিমাণ ঠিক করা।

এবার যা শিখলাম

প্রতি ১৫ দিনে জাল টেনে নমুনা মাছের ওজন মাপার অভ্যাসটি কাজে দিয়েছে। আগে আন্দাজে খাবার দেওয়া হতো, এতে হয় খাবার নষ্ট হতো নয়তো মাছ কম পেত। এখন মোট ওজনের হিসাব করে খাবার দেওয়া হয়।

পরের ধাপে তিন নম্বর পুকুরের আহরণ শুরু হবে অগ্রহায়ণের মাঝামাঝি।