বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে অনেক চাষি সপ্তাহে দুবারও কীটনাশক ছিটান। আমরা এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে গিয়েছি।
যা যা করা হয়েছে
- প্রতি ২০ শতকে একটি করে ফেরোমন ফাঁদ বসানো হয়েছে।
- প্রতি ১৫ দিনে ফাঁদের লিওর বদলানো হয়েছে।
- আক্রান্ত ডগা ও ফল প্রতিদিন সকালে হাতে সংগ্রহ করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।
- জমির চারপাশে গাঁদা ফুল লাগানো হয়েছে পোকা আকর্ষণের জন্য।
ফলাফল
আক্রান্ত ফলের হার নেমে এসেছে প্রায় ১২ শতাংশে, আগের বছর যা ছিল ৩০ শতাংশের ওপরে। কীটনাশক বাবদ খরচ বেঁচেছে, আর ক্রেতারাও জেনে নিরাপদ বেগুন কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
একটি বিষয় মানতেই হবে — এ পদ্ধতিতে শ্রম বেশি লাগে। প্রতিদিন সকালে জমি ঘুরে আক্রান্ত ডগা তোলা কষ্টসাধ্য। কিন্তু ফলাফল দেখে মনে হয়েছে পরিশ্রমটা বৃথা যায়নি।