গরমকালে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যায়, আবার মাছের শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যায়। ফলে ভোরবেলা মাছ ভেসে ওঠে — এটিই বিপদের প্রথম সংকেত।
যা করা হয়
- ভোরে পুকুরের পানি লাঠি বা নৌকা দিয়ে নাড়িয়ে ঢেউ তোলা হয়।
- দুপুরের কড়া রোদে খাবার দেওয়া বন্ধ রাখা হয়।
- পুকুরের পানির গভীরতা অন্তত ৫ ফুট রাখা হয়।
- মাছ ভাসতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে খাবার বন্ধ করে পানি বদলানো হয়।
- প্রয়োজনে সন্ধ্যায় অ্যারেটর চালানো হয়।
যা করা যাবে না
গরমে অনেকে ভাবেন বেশি খাবার দিলে মাছ দ্রুত বাড়বে। আসলে উল্টো — না খাওয়া খাবার পচে পানির অক্সিজেন আরও কমিয়ে দেয়। এ সময় খাবারের পরিমাণ বরং কমিয়ে দিতে হয়।